Saturday, February 19, 2011

লড়াই করেছে টাইগাররা



৭০ রানের ইনিংসের পথে তামিম
ব্যবধানটা গড়ে দিয়েছিলেন বীরেন্দর শেবাগ বিরাট কোহলি। সঙ্গে মুনাফ প্যাটেলের বিধ্বংসী বোলিং যোগ হওয়ায় ৮৭ রানের হার দিয়ে শুরু হলো বাংলাদেশের বিশ্বকাপ যাত্রা
ভারতের মতো দলের বিপক্ষে লড়ে ৩৭১ রান তুলতে হবে। দলীয় শক্তিমত্তার বিচারে সাকিব আল হাসানদের জন্য লক্ষ্যটাঅসম্ভববললেও খুব একটা বিতর্ক ওঠার কথা নয়। তবে বন্ধুর পথে দুর্দান্ত খেলেছে টাইগাররা। রানের পাহাড়ের পেছনে দৌড়ে অসহায় আত্মসমর্পণ নয়, বরং লড়াই করেই হেরেছে বাংলাদেশ। এমন কঠিন পরিস্থিতিতে উইকেটে ২৮৩ রান করাটা বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের জন্য কম প্রাপ্তি নয়
তামিম ইকবালরা আফসোস করতেই পারেন। ভারতীয় ব্যাটসম্যানদের যদি একটু কম রানে আটকে দিতে পারতেন বোলাররা! টপ আর মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যানদের সবাই কম বেশি রান পেয়েছেন। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৭০ রান করেন তামিম। অধিনায়ক সাকিব আল হাসান খেলেছেন ৫৫ রানের ইনিংস। জুনায়েদ সিদ্দিকী, ইমরুল কায়েস মুশফিকুর রহিম করেছেন যথাক্রমে ৩৭, ৩৪ ২৫ রান। ২৮ রানে অপরাজিত থাকেন রকিবুল হাসান ভারতের হয়ে মুনাফ প্যাটেল চারটি জহির খান দুটি উইকেট লাভ করেন
মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে দিবা-রাত্রির এই ম্যাচে টস জিতে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন সাকিব আল হাসান। সাকিবের সিদ্ধান্তের প্রতি চ্যালেঞ্জ জানিয়েই যেন শুরু থেকেই টাইগারদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েন ভারতীয় ব্যাটসম্যানরা। শেবাগের ১৭৫ আর বিরাট কোহলির অপরাজিত ১০০ রানের উপর ভর করে ভারতের সংগ্রহ দাঁড়ায় চার উইকেটে ৩৭০ রান

Friday, February 18, 2011

আমাদের সেরাটা দেওয়ার সময় এসেছে: সাকিব


আমাদের সেরাটা দেওয়ার সময় এসেছে

এখন আর দিন গণনা নয়। গণনা হচ্ছে ঘণ্টায়। এরপর মিনিট, সেকেন্ড পেরিয়ে আসবে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়ে যাবে বিশ্বকাপ ক্রিকেটের মহারণ। উদ্বোধনী ম্যাচের দুই প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ বা ভারতীয় দলের সমর্থকেরা তো বটেই, মুহূর্তটির জন্য অপেক্ষার প্রহর গুনছে গোটা ক্রিকেট বিশ্বই
আগের দিন বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে হয়ে গেল বিশ্বকাপের চোখ ধাঁধানো উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। সাকিব আল হাসানের জন্য অনুষ্ঠানটা ছিল আবেগময়। ঘরের মাঠে বিশ্বকাপ। দর্শকের আকর্ষণের প্রতিশব্দ ছিলেন তো তিনিই! সেই আবেগকে পেছনে ফেলে সাকিব আজ শুক্রবার বলে দিলেন, ‘আমাদের সেরাটা দেওয়ার সময় এসে গেছে।
কিন্তু চাইলেই তো সবকিছু ভুলে থাকা যায় না। আগের দিনের সোনালি স্মৃতিই তাই সাকিবের কণ্ঠে, ‘সেটা ছিল অসাধারণ এক অনুভূতি। আমি আবেগময় হয়ে পড়েছিলাম। এটা আমার জন্য অন্য রকম এক অভিজ্ঞতা। এটা গোটা জীবন মনে রাখার মতো।
বাংলাদেশের ঘরে ঘরে ক্রিকেট উন্মাদনা। টাইগারদের গর্জে ওঠার মুহূর্তটি দেখার অপেক্ষায় ভক্তরা। এটা আবার সাকিবের ওপর বাড়তি চাপ হয়ে দাঁড়াবে না তো? সংশয়টা উড়িয়ে দিয়েছেন কোচ জেমি সিডন্স, ‘চাপের বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছি আমরা। ঘরের মাঠে বিশ্বকাপ, সমর্থকদের বাড়তি প্রত্যাশা থাকবেই। এর জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত আছে ক্রিকেটাররা।
বিশ্বকাপে বাংলাদেশের লক্ষ্যটা সরাসরি বলেননি সিডন্স। তবে কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার ধাপটা ব্যাখ্যা করেছেন অস্ট্রেলীয় এই কোচ, ‘ওয়ানডে ্যাঙ্কিংয়ে ওপরে থাকা দলগুলোকে হারাতে হবে আমাদের। ওয়েস্ট ইন্ডিজ আমাদের নিচে। দলটিকে হারাতে আত্মবিশ্বাসী আমরা। আর এটি করতে করলে পরবর্তী রাউন্ডে ওঠার কাছাকাছি চলে যাব আমরা। আইসিসির দুই সহযোগী দেশ আয়ারল্যান্ড হল্যান্ড আছে। বলতে গেলে, বড় একটি দলকে হারালেই সুযোগটা এসে যাবে।